কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ এ ১০:৩৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
পায়রা বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর, যা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর চাপ কমানোর লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
বন্দরটিকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাব্যতা উন্নয়ন, টার্মিনাল নির্মাণ, নৌপথ উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
১৩ আগস্ট ২০১৬ থেকে পায়রা বন্দরে সীমিত পরিসরে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে কয়লাবাহীসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ নিয়মিতভাবে বন্দরে আগমন শুরু করে। বর্তমানে পায়রা বন্দর দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরে রূপান্তরিত হচ্ছে।
ভৌগোলিক অবস্থান, বিস্তৃত পশ্চাদভূমি (Hinterland) এবং সড়ক ও নৌপথের সংযোগের কারণে পায়রা বন্দর বাংলাদেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য, শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।